কবি অভিজিৎ বেরা
অভিজিৎ বেরা
দক্ষিণ চব্বিশ পরগনা জেলার বুডুল গ্ৰামের জন্ম ৫ই এপ্রিল, ১৯৭১।বাবা স্বর্গীয় কালিদাস বেরা, মাতা স্বর্গীয়া ললিতা বেরা,পেশায় কলকাতা পুলিশের এ.এস.আই হলেও সাহিত্য তার প্রান। বুড়ুল থেকে প্রকাশিত সৃজনী ভারত পত্রিকা প্রকাশ করেছিলেন প্রখ্যাত সাহিত্যিক ও সমাজসেবী মহাশ্বেতা দেবী। তার প্রথম কাব্যগ্রন্থ "মহীয়সী মহাশ্বেতা"সম্পাদিত গ্ৰন্থ প্রত্ন পুথির পাঠশালা,সাম্যধর্মী বিশালাক্ষী ও দেব দেবী,আমার জন্মভূমি ও সংস্কৃতি,বিপ্লবী পদধুলিধন্য নলদাঁড়ি ঘাট, আঞ্চলিক ইতিকথা।
গুচ্ছ কবিতায়
কবি অভিজিৎ বেরা
মনের আকাশ
আমি তোমার মনের আকাশ ধরতে
রোজ হাত বাড়ায়
ছুঁতে পারিনি----
প্রতিদিনের ব্যর্থতা আমার হৃদয় গহ্বরে জমা হয়।
আমি উদাসীন চোখে তাকিয়ে থাকি
তোমার দিকে---
মনের আকাশটাকে ধরতে না পারার বেদনাকে অনুভব করি
আর নিজেকে প্রস্তুত করি সেইভাবে।
জানি একদিন তোমার মনের আকাশ ছুঁতে পারবো
সেদিন ভালোবাসার আবির মাখবো দুজনে।
কবিতার ভাষা খুঁজি
কবিতার ভাষা খুঁজি
তোমাকেই দেখে
কবিতার রূপ খুঁজি
ভালো ভাব রেখে।
যত খুঁজি তত পাই
আসে কত ভাষা
তবুও ভরে না মন
করি আরও আশা।
একবার নয় বারে বারে
যাই তোমার কাছে
মনে হয় তোমা মাঝে
কবিতা লুকিয়ে আছে।
শহীদ স্মৃতি
(আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস স্মরণে)
এখনো পারিনি ভুলতে বরকত, জব্বার আরও কত
বীর শহীদদের-----
ভাষা আন্দোলনে তোমাদের লড়াই অমর করেছে একুশে
ফেব্রুয়ারি কে।
পুলিশের গুলি নির্বিচারে কেড়ে নিয়েছে প্রাণ কত শত
শহীদদের---
রক্তে ভিজে মাটি হয়েছে লাল
তবুও তোমরা পাওনি ভয়
সে লড়াই থামেনি তোমাদের।
তোমাদের প্রানের বিনিময়ে পেয়েছি স্বীকৃতি
আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস
চারিদিকে তাই তোমাদের জয়ধ্বনি, বৃথা যায়নি
তোমাদের প্রাণ।
ঐ চেয়ে দেখ প্রদীপ জ্জ্বালিয়ে
স্মরণ করছি আমরা সবায়
গাইছি তোমাদেরই জয়গান।
আমি অত্যন্ত আনন্দিত যে আমার কবিতাগুলো প্রকাশিত হয়েছে। ধন্যবাদ জানাই বিশিষ্ট কবি ও সম্পাদক তাজিমুর রহমান বাবুকে।
ReplyDelete