কবি পলাশ দাস
পলাশ দাস
জন্ম:- ২৭ মার্চ, ১৯৮৯।স্থায়ী বসবাস বারাসতে।২০১৮ সালে প্রথম কবিতা প্রকাশ,কলকাতা শব্দহরিণ পত্রিকায় সাত্যকি নামে(পরিবার প্রদত্ত নাম পলাশ দাস)। পরবর্তীতে নিজ নামেই লেখা প্রকাশ। লেখা বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে বা হচ্ছে।কবিকথা, কাগজের ঠোঙা,কালধ্বনি, পদক্ষেপ,সাহিত্য সৃজনী, সাগ্নিক, অবেক্ষণ, অর্বাচীন, মুখর, কবিতা সীমান্ত, আখরকথা, কবিতা নগর, ষোলো আনা, ঝিলম,ভোরের সাঁঝপথ, কবিতা কুটির, আজকের কুরুক্ষেত্র, বিবস্বান, নৌকা প্রভৃতি।
গুচ্ছ কবিতায়
কবি পলাশ দাস
উট
আলোর ধার ঘেঁষে গুড়ো শব্দের মত কুয়াশার রাত
নেমে এলে,
একান্ত নিকটবর্তী তোমার হাত
কয়েকটা ফটো ফ্রেম ও আসন্ন মেঘের দলিল
চিন্তারা পুড়ছে,অ্যাশট্রে আর ছাই -
তবুও, সচরাচর জীবন অপেক্ষার জায়গা রাখে,
প্রাগৈতিহাসিক বটের শিকড় বেয়ে
উঠে আসে সবুজ পাতার হাসি
বকুল
অনন্ত গোধূলির দিকে নেমে যাচ্ছে আলো
পথ নিতান্ত নীমরাজি হলেও
ফিরে আসে ব্যস্ততা
হাতের শরীর জুড়ে
এখানেই রাস্তা ভাগ হয়ে যায়
গৃহকোণ,উঠোন জুড়ে শিরশিরে হাওয়ায় কাঁপতে থাকে আলো
আলো কাঁপে
আলো কাঁপে
শিরশিরে হাওয়ায় কেঁপে ওঠে গোটা শরীর
ফুরিয়ে যেতে যেতে
প্রবাহমানতার দিকে ফিরে চায়,কয়েকটি বকুল
চাকা
মফস্বলের একফালি শুয়ে থাকা স্টেশন দেখে খুব সহজেই হেসে উঠবে শহরের ব্যস্ততম স্টেশন।ভিড় নেই,টিকিট কালেক্টর নেই,চায়ের দোকান সেও নেই,কখন ট্রেন আসবে তার তোড়জোড় নেই,ফেলে দেওয়া প্যাকেটের জঞ্জাল নেই... শুধু নিস্তব্ধতার অখণ্ড সুর কান পাতলেই ভেসে উঠবে।তারপর যখন দূর থেকে শোনা যাবে ট্রেনের চাকার শব্দ,কয়েকটা খুব সাধারণ জুতোর খসখস নেমে আসবে তার শরীর জুড়ে... ট্রেনটা এসে দাঁড়ালে সেই কয়েকটা সাধারণ জুতোর খসখস আরও বাড়বে,স্টেশনের গায়ের শ্যাওলা হাওয়ায় নড়ে উঠে জানতে চাইবে হাওয়ার তাৎক্ষনিক অবস্থা... চাকা গড়িয়ে গেলেই মাঝদুপুরের পুকুরের ঢেউ মিলিয়ে যাবে দু-একটা রিকশার ক্যাঁচর ক্যাঁচরে গা ঘষাঘষি করে
"অনন্ত গোধূলির দিকে নেমে যাচ্ছে আলো " জীবনকে চকিত এক ঝলক উপলব্ধি করলাম। কবিতার ইমেজারি প্রসন্নতায় মুগ্ধ হয়ে গেলাম।
ReplyDeleteবেশ ভাল লাগল, কবিতাগুচ্ছ। প্রিয় কবিকে আমার আন্তরিক শুভেচ্ছা।🌹🌹
ReplyDelete