কি ছু ব লা ক থা
কি ছু ব লা ক থা
শীত এখন যৌবন ছাড়িয়ে পথে নেমেছে।শেষ বিকেলে তাকে আজকাল বেশ বিষন্ন মনে হয়।কখনো কখনো ঝঞ্ঝাপীড়িত বৃষ্টির প্রলেপে বেশ অস্ফুট। এরকম একটি আবহে মারীজনিত প্রবাহে আমরা পুনঃ পুনঃ মানসিক অসহায়ত্ব নিয়ে ধাবমান।হারাতে হয়েছে শিল্প-সাহিত্য ও ক্রীড়া জগতের একাধিক গুণীজনদের। তাঁদের প্রতি রইল আন্তরিক শ্রদ্ধা।
মুদ্রিত না ই- ম্যাগ-কার গুরুত্ব বেশি! এ নিয়ে বিতর্ক যেটুকু তা কেবলমাত্র মানসিক (Mind Setup) বলে মনে হয়।কারণ,সারা বিশ্বের অবস্থান এবং প্রযুক্তির সামাজিকিকরনের বিষয়টি অনুধাবন করলে আজকের দিনে এই বিতর্ক অমুলক। পাশাপাশি, এটা হয়তো ঠিক যে,এই দ্বন্দ্বের নিরসন অনিশ্চয়তার আঁধারে ডোবা।সুতরাং....
তবু ! তবু তো চলা নিরন্তর শুভকামনা নিয়ে।তাই 'নৌবত' তার গতিতে অমলিন। এবারের নবম সংখ্যায় পত্রিকার পরম্পরা অনুযায়ী অনুবাদ কবিতা, গুচ্ছ কবিতা ও সম্পাদকের জানালা- র সঙ্গে সুদূর প্রবাস (ফ্রান্সের প্যারিস) থেকে প্রাবন্ধিক ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমীরুল আরহাম পাঠকদের নিয়ে পথ হাঁটতে চেষ্টা করেছেন ফরাসি কবি লুই আরাগোঁ-র সঙ্গে।সেই সঙ্গে দু'জন নিভৃতচারী কবি ও তাঁদের কবিতার সঙ্গে পাঠকদের আলাপ করিয়ে দিয়েছেন বিশিষ্ট কবি ও প্রাবন্ধিক দীপক হালদার ও বিশিষ্ট কবি ও লেখক তৈমুর খান। আর এই সংখ্যাটির জন্য অসাধারণ একটি প্রচ্ছদ এঁকে আরও বেশি করে ভালবাসা ও কৃতজ্ঞতা পাশে বেঁধে নিলেন বিশিষ্ট শিল্পী-কবি শ্যামল জানা।
আশা করি অতীতের মতো নৌবত-র এই সংখ্যাটিও প্রিয় পাঠকবন্ধুদের একইভাবে সমৃদ্ধ করবে। সকলকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।
খুব ভালো লাগলো পত্রিকা
ReplyDeleteখুব সুন্দর সংখ্যা হয়েছে। কবির সঙ্গে, অনুবাদ, গুচ্ছ কবিতা... সবই অত্যন্ত সুন্দর আর সুনির্বাচিত। পুরো পত্রিকাটি পড়ে তৃপ্ত হয়েছি, সমৃদ্ধ হয়েছি। সম্পাদক মহাশয়কে আন্তরিক ধন্যবাদ জানাই।🙏
ReplyDelete